আমেরিকার সঙ্গে ইরানের চাপানউতর আবার বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভিডিয়ো প্রকাশ করে নাগরিকদের সতর্ক করেছে তেহরান। আট মিনিটের ওই ভিডিয়োতে বলা হয়েছে, পরমাণু বিস্ফোরণ হলে তা থেকে কী ভাবে বাঁচতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে। ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-তেও রয়েছে সেই ভিডিয়ো (আনন্দবাজার ডট কম তার সত্যতা যাচাই করেনি)।
আইআরএনএ ভিডিয়োটি প্রকাশ করেছে ২৯ অক্টোবর। ইশফাহানের জরুরি পরিষেবা বিভাগ সেই ভিডিয়ো তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত, ইশফাহানেই রয়েছে নাতানজ় পরমাণু কেন্দ্র। তার কাছে পিকঅ্যাক্স পর্বতে গত ১৬ অক্টোবর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পর থেকেই সতর্ক ইরান।
এই আবহে নাগরিকদের সাবধান করতে তেজস্ক্রিয়তা থেকে আত্মরক্ষা করার উপায় জানিয়ে ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ হলে বাইরের বাতাস টেনে আনে এমন এসি ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা বন্ধ করতে। জানলার ধারে না গিয়ে বাঙ্কারে গিয়ে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। বিস্ফোরণের সময় কেউ খোলা আকাশের নীচে থাকলে কী করতে হবে, তা-ও বলা হয়েছে। বিস্ফোরণ হলে তার পরে ২৪ ঘণ্টা বাঙ্কারে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্যাকেটজাত খাবার এবং জল পান করতে বলা হয়েছে। তবে কোনও যানবাহনের ভিতরে আশ্রয় নিতে বারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম ইলেকশন) মিটলে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প আবার বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন বলে অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছে। তার মধ্যে হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্পও। এই আবহে সোমবার ইরানের হরমুজ় প্রণালী লাগোয়া কাশেম বন্দর এবং বন্দর-এ-লেঙ্গেহ শহরে ঘন ঘন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কাশেম বন্দরের বাসিন্দারা দাবি করেন যে, আকাশ মার্কিন বিমানকে চক্কর কাটতে দেখেছেন তাঁরা। যদিও এই হামলার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি পেন্টাগন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর দাবি, ইরানে হামলাই চালিয়েছে আমেরিকা।
চলতি সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ‘নিয়ন্ত্রিত হামলা’ চালাচ্ছিলই। এই আবহে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, তাদের বিমানবাহিনী হরমুজ় প্রণালীর কাছে আমেরিকার তিনটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। এর মধ্যেই ইরানের সেই ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ্যে এসেছে।
আইআরএনএ ভিডিয়োটি প্রকাশ করেছে ২৯ অক্টোবর। ইশফাহানের জরুরি পরিষেবা বিভাগ সেই ভিডিয়ো তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত, ইশফাহানেই রয়েছে নাতানজ় পরমাণু কেন্দ্র। তার কাছে পিকঅ্যাক্স পর্বতে গত ১৬ অক্টোবর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পর থেকেই সতর্ক ইরান।
এই আবহে নাগরিকদের সাবধান করতে তেজস্ক্রিয়তা থেকে আত্মরক্ষা করার উপায় জানিয়ে ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ হলে বাইরের বাতাস টেনে আনে এমন এসি ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা বন্ধ করতে। জানলার ধারে না গিয়ে বাঙ্কারে গিয়ে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। বিস্ফোরণের সময় কেউ খোলা আকাশের নীচে থাকলে কী করতে হবে, তা-ও বলা হয়েছে। বিস্ফোরণ হলে তার পরে ২৪ ঘণ্টা বাঙ্কারে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্যাকেটজাত খাবার এবং জল পান করতে বলা হয়েছে। তবে কোনও যানবাহনের ভিতরে আশ্রয় নিতে বারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম ইলেকশন) মিটলে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প আবার বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন বলে অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছে। তার মধ্যে হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্পও। এই আবহে সোমবার ইরানের হরমুজ় প্রণালী লাগোয়া কাশেম বন্দর এবং বন্দর-এ-লেঙ্গেহ শহরে ঘন ঘন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কাশেম বন্দরের বাসিন্দারা দাবি করেন যে, আকাশ মার্কিন বিমানকে চক্কর কাটতে দেখেছেন তাঁরা। যদিও এই হামলার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি পেন্টাগন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর দাবি, ইরানে হামলাই চালিয়েছে আমেরিকা।
চলতি সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ‘নিয়ন্ত্রিত হামলা’ চালাচ্ছিলই। এই আবহে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করে, তাদের বিমানবাহিনী হরমুজ় প্রণালীর কাছে আমেরিকার তিনটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। এর মধ্যেই ইরানের সেই ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ্যে এসেছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক